
ফ্লোরে সমস্যার কারণ সাধারণত প্রিন্টহেডের গতি নয়; বরং ইঙ্কটি যেন দ্রুত শুকিয়ে যায়, অর্থাৎ ইঙ্কটি এখনও আঠালো অবস্থায় থাকে না। টাইমার-নিয়ন্ত্রিত মডিউলার ইউভিসি জীবাণুনাশক ল্যাম্প ব্যবহার করলে এই সমস্যা সমাধান হয়; ফলে আরও ৩০% বেশি উৎপাদন করা সম্ভব হয়, আর ক্যাবিনেটের জায়গা বাড়ানোর দরকার হয় না।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্পেকট্রাল নিয়ন্ত্রণ এবং নির্দিষ্ট ডোজ নিশ্চিত করা। আমাদের অজোন-মুক্ত মার্কিউরি ভেপার মডিউলগুলো ২৫৪ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যে স্থির আলো নির্গত করে; আর ডাইক্রোইক-কোটেড রিফ্লেক্টরগুলো ওয়েবের উপর আলোর তীব্রতা স্থির রাখে। টাইমার এক্সপোজারের সময়কাল নির্ধারণ করে; ফলে প্রতিবার এনার্জি ডেনসিটি নির্দিষ্ট মানেই থাকে। এর ফলে অপর্যাপ্ত শুকানোর কারণে ত্রুটি কমে যায়, আর আঠালোতা, চকচকে অবস্থা ও শুকানোর গভীরতায় কোনো পরিবর্তন হয় না। এর কার্যকাল ৮,০০০ ঘণ্টারও বেশি; আর প্রথম ৫,০০০ ঘণ্টার মধ্যে আলোর তীব্রতা ৮% এর নিচেই থাকে।
এটা কেন এতটা কার্যকর? কারণ মডিউলার ডিজাইনের কারণে পুরানো ল্যাম্পগুলোর জায়গায় এটা সহজেই বসানো যায়; আর ড্রায়ার অংশটিকে পুনরায় ডিজাইন করার দরকার হয় না। একই আকারে আরও উচ্চ তীব্রতার আলো পাওয়া যায়; ফলে দ্রুত কাজ করা সম্ভব হয়। পাওয়ার খরচ কমে যায়, কারণ এক্সপোজারের সময়কাল কমে যায়; আর ল্যাম্প পরিবর্তনের সময়ও কমে যায়। টাইমার ব্যবহার করলে বিভিন্ন সাবস্ট্রেট ও ইঙ্ক ফর্মুলেশনের জন্য উপযুক্ত সেটিং নির্ধারণ করা সহজ হয়।
ইনস্টলেশনের ক্ষেত্রে রিফ্লেক্টরগুলো সঠিকভাবে সাজানো এবং থার্মাল ম্যানেজমেন্ট নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। নিশ্চিত করুন যে বর্তমান পাওয়ার সাপ্লাই প্রয়োজনীয় কারেন্ট সামলাতে পারে; আর ল্যাম্পের হাউজিংটি যেন যথেষ্ট বায়ুপ্রবাহ সরবরাহ করে। আলোর তীব্রতা স্থির রাখতে সঠিক মাপে মডিউলটি স্থাপন করা জরুরি। সেরা ফলাফল পেতে মডিউলটিকে আপনার নির্দিষ্ট স্পেকট্রাল উইন্ডোর সাথে মিলিয়ে নিন; আর প্রিন্টারের ইন্টারলক ও সেফটি ইন্টারলকগুলোর সাথে এর সামঞ্জস্য নিশ্চিত করুন।